১১ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রোজ শুক্রবার ফাদার এফ. চেস্কাতো হল রুমে (কারিতাস মহিষবাথান), রাজশাহীতে উত্তম মেষপালক ক্যাথিড্রাল ধর্মপল্লী পর্যায়ে পালকীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মশালায় রাজশাহী ধর্মপল্লীর ভিকার জেনারেল ফাদার ফাবিয়ান মার্ডী, ফাদার বাপ্পী ক্রুশ, ফাদার জের্ভাস মুরমু, ফাদার বিশ্বনাথ মার্ডী, সবিতা মার্ডী, ভিনসেন্ট চঁড়ৈ ও মনিকা বাড়ৈ এবং অন্যান্য গ্রাম থেকে আগত প্রায় ৭৮ জন উপস্থিত ছিলেন। এই কর্মশালায় মূলভাব হিসেবে বেছে নেওয়া হয়, “খ্রিস্টবিশ্বাসে আমরা প্রেরিত: ‘হায়য়ে আমি মঙ্গলসমাচার যদি প্রচার না করি’ (১ম করিন্থীয় ৯:১৬)।
শুরুতে সকাল ৯টায় ফাদার জের্ভাস মুরমু প্রার্থনা অনুষ্ঠান পরিচালনা এবং সার্বিক মঙ্গল কামনায় ফাদার বাপ্পী ক্রুশ পবিত্র আত্মার কাছে প্রার্থনা নিবেদন করেন। পরে অতিথিদের নাচ ও ফুলের মধ্যদিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।
প্রথম অধিবেশনে মিসেস সবিতা মার্ডী খ্রিস্টভক্ত হিসাবে আপনি কীভাবে পরিবার, সমাজ ও সংস্কৃতি এবং ধর্মপল্লীতে খ্রিস্টবাণী প্রচার করবেন এবং বাণীপ্রচারের জন্য আর কী কী করতে পারেন? এর পরিপ্রেক্ষিতে সাবলীল ভাষায় বক্তব্য প্রদান করা হয়।
প্রতিটি অধিবেশনের উপর ভিত্তি করে আত্মার শক্তিতে নীরব ধ্যান এবং পরবর্তীতে প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর ভিত্তি করে দুই মিনিট সহভাগিতা করা হয়।
দ্বিতীয় অধিবেশনে ফাদার ফাবিয়ান মার্ডী মূূলবিষয়ের উপর ভিত্তি করে বলেন, বাপ্তিস্মের মাধ্যমে একজন বিশ্বাসী যখন খ্রিস্টের সঙ্গে যুক্ত হন, তখন তিনি রাজা, ভাববাদী এবং পুরোহিতের দায়িত্বে অংশীদার হন। ভাববাদীতার মূল কাজই হলো ঈশ্বরের বাণী ও প্রেমের সাক্ষ্য দেওয়া।
তৃতীয় অধিবেশনে মি. ভিনসেন্ট চড়ৈ মঙ্গলবাণী প্রচার বিষয়ক বক্তব্য প্রদান করেন। উক্ত অধিবেশনের উপর ভিত্তি করে দুইমিনিট নীরব ধ্যান ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে সহভাগিতা করা হয়। এরপর উত্তর ভিকারিয়া পর্যায়ে পালকীয় সম্মেলনে বাস্তবায়নযোগ্য কর্মপরিকল্পনা উপর পুনরাবৃত্তি করা হয়। শেষে সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয় এবং কর্মশালা শেষে সবার জন্য দুপুরে আহারের ব্যবস্থা করা হয়।
সংবাদ দাতা: ফাদার জের্ভাস মুরমু
