বিগত ৫ জুলাই ২০২৫ খ্রিস্টাব্দে নিউইয়র্কের উডসাইডে অবস্থিত কর্পোস ক্রিস্টী চার্চে প্রবাসী “বেঙ্গলী খ্রীষ্টিয়ান এসোসিয়েশন” সারা দিনব্যাপী এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ফাদার স্ট্যানলী গমেজের প্রতি তাদের ধন্যবাদ, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। অনুষ্ঠানে বাঙালী অধ্যুষিত নিউইয়র্ক, কানেটিকাট ও নিউজার্সি থেকে পাঁচ শতাধিক খ্রিস্টভক্ত এই মিলন মেলায় যোগদান করে।
দিবসের কর্মসূচী অনুযায়ী দুপুর ১টা-২টা মধ্যাহ্নভোজের পর পর ঈশ্বরের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশস্বরূপ ফাদার গমেজ পবিত্র খ্রিস্টযাগ উৎসর্গ করেন এবং সহযোগিতা করেন রাজশাহীর বিশপ জের্ভাস রোজারিও ও ফাদার মিন্টু রোজারিও। খ্রিস্টযাগের পর রোজমেরী অর্পিতা গমেজের নেতৃত্বে নিউইয়র্ক অ্যালায়েন্স ড্রামলাইন, জ্যামাইকা হতে একদল কৃষ্ণাঙ্গ ছেলে-মেয়ে ড্রাম বাজিয়ে ফাদারকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করে। পরে এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ম্যাথিউ বাবুল রোজারিও ফাদারকে আনুষ্ঠানিক সম্বর্ধনা প্রদানের ঘোষণা দেন। এরপর ফাদার স্ট্যানলী গমেজ, বিশপ জের্ভাস রোজারিও, ফাদার মিন্টু রোজারিও, নটরডেম কলেজের অধ্যাপিকা মিসেস হোসনে আরা বেগম ও সিস্টার লুসিয়ানা ডি’ ক্রুজ এবং অন্যান্য অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়। ঐতিহ্যবাহী প্রবাসী সংগঠনের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বিকাশ গমেজ, উপদেষ্টা অনিল ডমিঙ্গো গমেজের পক্ষ থেকে ফাদারকে উপহার এবং প্রবাসী সংগঠনের বিশেষ ক্রেস্ট প্রদান করেন। অতঃপর “তেপান্তরী” পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন করেন ফাদার স্ট্যানলী গমেজ ও প্রধান সম্পাদক সুবীর এল রোজারিও। অভ্যর্থনার পর শুরু হয় দীর্ঘ জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিভিন্ন স্থানের বিশিষ্ট শিল্পীবৃন্দেও সাথে ফাদারদের পরিবারের সদস্যরাও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
এছাড়া অনুষ্ঠানের পাশাপাশি নৈশভোজের আয়োজন ছিল। রাত ১১ টায় মঞ্চে উঠেন বাংলাদেশের এককালীন জনপ্রিয় তারকা টনি ডায়াস ও প্রিয়া ডায়াস। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক জগতে তাদের অবদান অপরিসীম। তাদের ক্ষুদ্র অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। এ সময়ে ফাদার গমেজ মঞ্চে উঠে সকল শিল্পী দর্শক ও আয়োজকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিভিন্ন ব্যক্তিগণ ফাদার স্ট্যানলী গমেজের বিভিন্ন গুণাবলী উল্লেখপূর্বক তার সুবিন্যস্ত চিন্তাধারা ও লেখনীর কথা তুলে ধরেন। তিনি নিউইয়র্কের স্থানীয় সাপ্তাহিক ঠিকানা পত্রিকা ও ঢাকার সাপ্তাহিক প্রতিবেশী পত্রিকার একজন নিয়মিত লেখক। তিনি তার নিয়মিত কর্মঘণ্টার পাশাপাশি ৩০০ অবসরপ্রাপ্ত ও বৃদ্ধ পুরোহিতদের দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করেন।
সংবাদাতা: সুবীর এল রোজারিও
