ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশের ধর্মপল্লীর পালকীয় পরিষদের সংবিধান বিষয়ক সেমিনার

গত ১৭ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টবর্ষ, শুক্রবার, ভাওয়াল আঞ্চলিক পালকীয় পরিষদের উদ্যোগে পবিত্র ক্রুশ পালকীয় সেন্টার, ভাদুনে “ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশের ধর্মপল্লীর পালকীয় পরিষদের সংবিধান বিষয়ক সেমিনার” অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সেমিনারে ভাওয়াল অঞ্চলের প্রত্যেকটি ধর্মপল্লী থেকে পাল-পুরোহিত, সহকারী পাল-পুরোহিত, পালকীয় পরিষদের সহ-সভাপতি, সেক্রেটারী এবং অন্যান্য সদস্য/সদস্যা’সহ প্রায় ২৫০ জন উপস্থিত ছিলেন। প্রার্থনার মধ্য দিয়ে সেমিনার শুরু হয়। ভাওয়াল আঞ্চলিক পালকীয় পরিষদের সভাপতি ফাদার স্টেনিসলাউস গমেজ শুরুতে শুভেচ্ছা বাণী রাখেন। পবিত্র ক্রুশ পালকীয় সেন্টারের পরিচালক ফাদার জেমস্ ক্রুশ সিএসসি সেন্টার সম্পর্কে ক্ষুদ্র সহভাগিতা করেন। “ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশের ধর্মপল্লীর পালকীয় পরিষদের সংবিধান বিষয়ক সেমিনার” এই বিষয়ের উপর ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশের জুডিশিয়াল ভিকার ফাদার মিন্টু এল. পালমা সহভাগিতা করেন। তিনি খুব সুন্দর ভাবে মণ্ডলী কি, ধর্মপল্লীর পালকীয় পরিষদ কী, পালকীয় পরিষদের মূল লক্ষ্য কী, পালকীয় পরিষদ কী না, পালকীয় পরিষদের উদ্দেশ্য কী, পালকীয় পরিষদের সদস্যদের গুণাবলী কী কী থাকতে হবে, পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত হবে, এর গঠনতন্ত্র কী, পরিষদের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব কী, নির্বাহী কমিটি, উপ-কমিটি কী কী, সংশোধন বিষয়গুলো সহভাগিতায় তুলে ধরেন। এরপর সংবিধান বিষয়ক প্রশ্ন-উত্তর পর্বে সদস্য/সদস্যাগণ আরো পরিষ্কার হওয়ার জন্য তাদের প্রশ্নসমূহ তুলে ধরেন এবং ফাদার মিন্টু তাদের প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন। এরপর সভাপতি ফাদার স্টেনিসলাউস গমেজ সকলকে ধন্যবাদ জানান। বিশেষ করে পালকীয় পরিষদের সদস্য-সদস্যাদের, প্রত্যেক ধর্মপল্লী থেকে আগত সহকারী পাল পুরোহিত ও পাল পুরোহিতগণ, আঞ্চলিক পালকীয় পরিষদের সেক্রেটারী ফাদার লিয়ন রোজারিও, সেন্টারের পরিচালক ফাদার জেমস্ ক্রুশ সিএসসি-কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়। এছাড়া আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেন ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশের সমন্বিত মানব উন্নয়ন কমিশন। শেষে স্বর্গের রাণী’ প্রার্থনা বলার মধ্য দিয়ে সেমিনার শেষ হয়।

সংবাদ দাতা:  ফাদার লিয়ন রোজারিও